তিহার কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানেই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে তলব করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তাদের বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজৌরি গার্ডেনে অবস্থিত ক্রাইম ব্রাঞ্চের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের তালিকার বিশেষ ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাদের কারাগারে নেওয়া হয়েছিল। তিহার জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার ঠিক একদিন পরেই তাদের ডেকে পাঠানো হলো।
প্রায় এক সপ্তাহ বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকার পর গত বুধবার তারা জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার আগে আদালতে লিখিত বয়ান দেন এই দুই নেতা। দিল্লির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তারা মুচলেকা দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে যন্তর মন্তরে কোনো আন্দোলনের ডাক দেবেন না। এছাড়া সাংবিধানিক কাঠামো মেনে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অঙ্গীকার করেছেন তারা।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ১৩ অক্টোবর, যখন মোদি সরকার যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের অনুমোদিত তালিকা থেকে সরিয়ে দেয়। এর প্রতিবাদে সিজেপির নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেসহ সৌরভ ও আশুতোষ লোহার গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং জাতীয় পতাকা হাতে বিক্ষোভ দেখান। ঘটনার সময় পুলিশ সবাইকে আটক করলেও শান্তিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কেবল সৌরভ ও আশুতোষকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছিল। আশুতোষ, সৌরভ ছাড়াও ছিলেন সিজেপির অন্যতম নেতা অজিঙ্ক শিন্ডে এবং দলের অন্য সমর্থকেরা। বাকিদের ছেড়ে দিলেও আশুতোষ ও সৌরভকে শান্তিভঙ্গের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল দিল্লি পুলিশ।

