জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ঐতিহাসিক ‘সার্বভৌমত্ব’ র্যালিতে নেতাকর্মীদের সাথে সরাসরি পায়ে হেঁটে অংশ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকাল ৩টার পর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই র্যালির সূচনা করেন তিনি। র্যালিটি কাকরাইল, প্রধান বিচারপতির বাসভবন, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় ও বাংলামোটর হয়ে ফার্মগেট প্রদক্ষিণ করে। পরিশেষে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
র্যালি শুরুর আগে বিকাল পৌনে ৩টা থেকে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে এলাকাটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা এবং দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড। বিএনপি দীর্ঘ ২০ বছর পর এবার কোনো বাধা ছাড়াই দিবসটি পালন করছে। বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে আড়াল করা হয়েছিল বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সমাজকল্যাণ ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এজেডএম ডা. জাহিদ হোসেন। এছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও ফরহাদ হালিম ডোনার অংশগ্রহণ করেন।
তালিকায় আরও ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন এবং হাবিব-উন-নবী খান সোহেল। র্যালিতে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।

