জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নয়জন কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বদলি করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ৯ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হয়েছে।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর আওতায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পদায়ন করে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে। জনস্বার্থে এই আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ থাকলেও, হঠাৎ কেন এই বড় ধরনের রদবদল করা হলো, তার কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ মন্ত্রণালয় জানায়নি। পাঠ্যবইয়ে ছবির ব্যবহার নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে এই পরিবর্তন এল। এর আগে রোববার আরও এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আজ বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে মোহাম্মদ কামরুল হক ভূঞাকে পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ, মো. আহসানুল আরেফিন চৌধুরীকে যশোরে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এবং মো. আবু হানিফকে রংপুরে সরকারি টিচার্স কলেজে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া রেজাউল করিমকে পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, মো. মনির হোসেন মজুমদার ও আফসানা আইয়ুবকে শরীয়তপুরের সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজে বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি মাহমুদ বিন আমিনকে ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজ এবং এম এম আসাদুজ্জামানকে লালমনিরহাট সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে। যদি কেউ নির্ধারিত সময়ে অবমুক্ত না হন, তবে ২৯ অক্টোবর অফিস সময়ের পর তারা তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন। বর্তমানে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপার কার্যক্রম চলছে, যেখানে প্রাথমিকের বই ছাপার গতি সন্তোষজনক হলেও মাধ্যমিক স্তরের কাজ কিছুটা পিছিয়ে আছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন চারটি বইয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকের বই ছাপায় গতি ভালো, মাধ্যমিকে পিছিয়ে, নতুন ৪ বইয়ের অনুমোদন রোববার। নতুন চার বইয়ের অনুমোদন, এসব বইয়ে কী থাকছে।

