জাতীয় ক্রিকেট লিগে ব্যাটে-বলে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখা গেছে আজ। মাঠের পারফরম্যান্সের জাতীয় ক্রিকেট লিগে আজকের ঘটনা বলতে এই দুটিই।
রাজশাহীর বিভাগীয় স্টেডিয়ামে এস এম মেহরব প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। গতকাল ৮২ রানে অপরাজিত থাকা মেহরব আজ ১০১ রান করে মেহেদী হাসানের বলে বোল্ড হন। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে রাজশাহী ২৩১ রানে অলআউট হয়েছে, যেখানে রংপুরের মেহেদী ৪টি উইকেট শিকার করেছেন। জবাবে রংপুর তাদের প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৩১ রান সংগ্রহ করেছে। বর্তমানে অনিক সরকার ৫৯ রানে এবং ইকবাল হোসেন ৪৫ রানে অপরাজিত আছেন। রংপুরের মেহেদী সব মিলিয়ে ৪ উইকেট নেন।
রাজশাহীতে খেলা নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা অব্যাহত রয়েছে। গত দুই দিন বৃষ্টি না থাকলেও স্টেডিয়ামে এখনো বল মাঠে গড়ায়নি, এমনকি টসও সম্পন্ন হয়নি। মাঠের কিউরেটর গোলাম রসুলের ভাষ্যমতে, মাটির বিশেষ ধরনের কারণে বৃষ্টিতে মাঠ কাদা হয়ে গেছে, যা এখনো শুকায়নি। খেলোয়াড়দের চোটের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে আম্পায়াররা খেলা শুরু করার ঝুঁকি নিচ্ছেন না, তবে আগামীকাল দুপুরে খেলা শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দুপুরের দিকে খেলা শুরু হতে পারে।
খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ময়মনসিংহের বিপক্ষে দাপট দেখিয়েছে খুলনা। নুরুল হাসান ও মোহাম্মদ মিঠুনের সেঞ্চুরিতে ভর করে তারা ২৮৮ রান করে। জবাবে ময়মনসিংহ ১০৮ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়েছে। ম্যাচে ক্র্যাম্পের কারণে মোসাদ্দেক হোসেন ১৮ রান করে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। দিনশেষে ময়মনসিংহ দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেট হারিয়ে ৫৭ রান তুলেছে; মাহফিজুল ইসলাম ২৫ ও মুনিম শাহরিয়ার শূন্য রানে ব্যাট করছেন। ক্র্যাম্প হওয়ায় ১৮ রান করা মোসাদ্দেক হোসেন মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।
সিলেট ও চট্টগ্রামের ম্যাচে নাসুম আহমেদের ঘূর্ণিতে বড় সংগ্রহ করতে পারেনি চট্টগ্রাম। ১ উইকেটে ৬১ রান নিয়ে দিন শুরু করা দলটি ২১০ রানে গুটিয়ে যায়। চট্টগ্রামের হয়ে ওপেনার মাহমুদুল হাসান সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন। বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ১৩তম বারের মতো ৫ উইকেট শিকারের কীর্তি গড়েছেন। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সিলেট ২ উইকেট হারিয়ে ৮৯ রান করেছে, যেখানে ওপেনার জাকির হাসান ৩৫ ও মুবিন আহমেদ ১০ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন। এমন হারের দায় কি শুধুই নাজমুল–লিটনদের।

