তেহরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বার্তা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন সিদ্ধান্ত নিলে রোববারই ইরানে নতুন করে আক্রমণ চালানো সম্ভব। একই সঙ্গে তেহরানের সঙ্গে চুক্তি অথবা চলমান সংঘাত চুকিয়ে ফেলার যেকোনো একটি বিকল্প বেছে নেওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে হয়তো বিষয়টি শেষ করতে হবে, অথবা তারা হয়তো একটি চুক্তি করবে।
ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটাধিকার প্রয়োগের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ট্রাম্প। পাম বিচ কাউন্টি সুপারভাইজার অব ইলেকশনস কার্যালয়ে সামরিক পদক্ষেপর অগ্রগতির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরানে সামরিক অভিযান চালুর বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে এবং দ্রুতই তা শুরু হতে পারে। তবে হামলা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত আগেভাগেই প্রকাশ্যে আনা হবে কিনা, তা নিয়ে কৌতুকপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি।
পারমাণবিক সক্ষমতা রোধের লক্ষ্য
ইরান যেন কোনো অবস্থায় অ্যাটমিক শক্তির অধিকারী না হয়, সেটিকে ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পূর্বে বি-২ স্ট্র্যাটেজিক বোমারু বিমান ব্যবহার করে পরিচালিত অভিযান স্থায়ী সমাধানের জন্য যথেষ্ট ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন
- অসম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি স্থায়ীভাবে নিষ্পত্তি করার জন্যই নতুন এই সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে।
- তেহরানের সঙ্গে সরাসরি কোনো চুক্তি স্বাক্ষর অথবা চলমান পরিস্থিতি চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়া—উভয় সম্ভাবনা উন্মুক্ত রয়েছে।
- যে পথেই ওয়াশিংটন অগ্রসর হোক না কেন, ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলেই আসবে বলে দাবি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
উল্লেখযোগ্য যে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার লড়াই পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে বিস্তৃতি লাভ করে। পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিরতি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার নানা আলোচনা হলেও সংকট নিরসনে স্থায়ী কোনো ঐকমত্য অর্জিত হয়নি।

