বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চলমান শ্রমিক বিক্ষোভ চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাকসহ আশপাশের এলাকায় পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন। এই অবরোধের ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ঢাকা-টাঙ্গাইল রুটে যান চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়েছে ফের চলছে সড়ক অবরোধ। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভে আবারো উত্তাল হয়ে উঠেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে হাজার হাজার যানবাহন আটকা পড়েছে।
শ্রমিকদের দাবি মেনে সরকার এরই মধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করলেও, আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। সরকারি এই পদক্ষেপের পরেও শ্রমিকদের রাস্তায় অবস্থানের কারণ নিয়ে জনমনে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরপরও কেন শ্রমিকরা আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাফর আলী খান জানিয়েছেন, অবরোধকারী শ্রমিকদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিশ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভুক্তভোগী যাত্রীসাধারণ দ্রুত এই অচলাবস্থা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

